1. admin@shadin-bd.com : admin :
  2. unews.mahmud@gmail.com : Mahmud hasan : Mahmud hasan
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ -
উত্তরা পাবনা সোসাইটির সভাপতি, ড.আমিন উদ্দিন, নির্বাহী সভাপতি বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক, মিঠু কাপাসিয়া মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শাহেলী নাছরিনের যোগদান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তৎপর খসরু চৌধুরী গলদাপাড়া নিয়ামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।  শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দূর্গাপুরে দুটি গ্রামীণ রাস্তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উত্তরা ১৩ সোসাইটি নির্বাচন: সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জাহিদ সেক্রেটারি শাহনাজ পান্না কাপাসিয়ায় খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে মিল্কিং মেশিন বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাক অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘষে নিহত -২ পত্নীতলায় জাতীয় ভোটার দিবস পালন

পাইকগাছায় চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ! অর্ধ কোটি টাকায় পাঁচ কর্মচারী নিয়োগঃ তদন্তে প্রমাণিত

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ১০৮ বার পঠিত
পাইকগাছায় চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাৎ! অর্ধ কোটি টাকায় পাঁচ কর্মচারী নিয়োগঃ তদন্তে প্রমাণিত
পাইকগাছা(খুলনা)প্রতিনিধিঃ পাইকগাছা উপজেলার উলুডাঙ্গা,রহিমপুর, সনাতনকাটি,হরিদাস কাটি (ইউ, আর,এস,এইস) হাই স্কুলে ৫ টি পদে লোক নিয়োগের মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সভাপতি ও নিয়োগ কমিটি অর্ধ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযোগকারী উপজেলা রহিমপুর গ্রামের আক্কাস গাজীর পুত্র মোক্তার হোসেন প্রতারিত হয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতির বিরুদ্ধে পাইকগাছা উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা করেন। যার নং সিআর ১২৬৯/২২তারিখ ১০ নভেম্বর ২২, মামলায় উল্লেখ্য যে উক্ত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাস গত ইংরেজী ২২ সেপ্টেম্বর ২০২২ দৈনিক সমকাল পত্রিকায় তার বিদ্যালয়ের জন্য একজন সহকারী প্রধান শিক্ষক, একজন নৈশ প্রহরি, একজন পরিচ্ছন্ন কর্মী, একজন নিরাপত্তা কর্মী ও একজন আয়া পদে লোক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেন। সে মতে মামলার বাদী মোক্তার হোসেনের কাছে প্রধান শিক্ষক নৈশ প্রহরী পদে চাকুরীর জন্য ১০ লক্ষ টাকা চাহেন। অতঃপর ৭ লক্ষ টাকা চুক্তিতে মোক্তার আলি ধার দেনা করে সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে ও পৈত্রিক জমি বিক্রি চুক্তিতে বায়না পত্র করে ৭ লক্ষ টাকা প্রদান করেন প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাস কে। এরপর অন্যান্য পদে একাধিক ব্যক্তি চাকুরীর জন্য আবেদন করেন এবং নৈশ প্রহরী পদেও অন্যান্য প্রার্থীরা আবেদন করেন। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও নিয়োগ কমিটি গত ইংরেজি ৫ নভেম্বর ২০২২ ইন্টারভিউ কার্ড প্রদান করেন। সে মতে ইন্টারভিউ অনুষ্ঠিত হয় । ইন্টারভিউ এর পর প্রধান শিক্ষক ও নিয়োগ কমিটি অভিযোগকারী মোক্তার এর কাছে তিন লক্ষ টাকা  এবং অন্যান্যদের কাছে বিভিন্ন অংকের অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন। যারা অতিরিক্ত টাকা দিয়েছেন তাদের চাকরি হয়েছে মোক্তার টাকা দিতে না পারায় তার চাকরি দেওয়া হয়নি বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। প্রত্যেকের কাছে সেখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সভাপতি ও নিয়োগ কমিটির লোকজন অনিয়ম দুর্নীতি ও অর্থ বাণিজ্যের মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা নিয়ে মামলার বাদী মোক্তার কে বাদ দিয়ে অন্যান্য ৫ জনকে চাকুরীতে নিয়োগ দেন। যার মধ্যে সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে সুকুমার চন্দ্র দাস কে, নৈশ প্রহরী হিসেবে বাদি মোক্তার হোসেনের স্থলে প্রশান্ত কুমার সরকার কে, নিরাপত্তাকর্মী কৃষ্ণ কুমার নন্দী কে, পরিচ্ছন্ন কর্মী শেখ রায়হানকে এবং আয়া হিসেবে রেহানা খাতুনকে নিয়োগ দিয়ে অর্ধ কোটি টাকার উর্ধ্বে হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই সময় বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির অধিকাংশ সদস্য, ছাত্র-ছাত্রীদের অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি অভিযোগকারী মোক্তার হোসেনের চাকরি দেওয়ার নামে নেয়া টাকা ফেরত চাহেন ও বিক্ষোভ সৃষ্টি করেন। প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাস টাকা ফেরত দিতে চাইয়া বিভিন্ন রকম তাল বাহানা করেন। যা নিয়ে স্থানীয়ভাবে প্রতিবাদ সমাবেশ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ ও মানববন্ধন হয়। এতে ফল না পেয়ে মোক্তার হোসেন বিজ্ঞ আদালতে মামলা করে। আদালত মামলাটি পিবিআই খুলনাকে তদন্ত দেন। পিবিআই খুলনা বাদী মোক্তার হোসেনের দখলকৃত কাগজপত্র যার মধ্যে মোবাইল ফোনের কল রেকর্ড, মানববন্ধনের স্থিরচিত্র, পেপার কাটিং এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য নিয়ে ও পর্যালোচনায় বাদীর অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে মর্মে পিবিআই খুলনার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেছেন। এদিকে মামলার আসামি প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাস ,সভাপতি সহ অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্তরা মোক্তার হোসেনকে মামলার আগামী ধার্য তারিখ ০৮ অক্টোবর ২৩ এর মধ্যে মামলাটি তুলে নিতে চাপ প্রয়োগ সহ খুন জখমের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছে। তাই মোক্তার হোসেন প্রশাসনের কাছে সকল অবৈধ নিয়োগ বাতিল পূর্বক পুনরায় ইন্টারভিউ গ্রহণের মাধ্যমে যোগ্য লোক নিয়োগের অনুরোধ সহ তার জান মালের নিরাপত্তা চেয়েছেন। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক উত্তম কুমার দাসের সাথে মুঠো ফোনে কথা বল্লে তিনি রাগতোঃ স্বরে বলেন মামলা হয়েছে আদালতে বিচার হবে তাতে আপনাদের কি?
Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ স্বাধীন বিডি
Theme Customized By Shakil IT Park