1. admin@shadin-bd.com : admin :
  2. unews.mahmud@gmail.com : Mahmud hasan : Mahmud hasan
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৫:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ -
উত্তরা পাবনা সোসাইটির সভাপতি, ড.আমিন উদ্দিন, নির্বাহী সভাপতি বাবুল ও সাধারণ সম্পাদক, মিঠু কাপাসিয়া মডেল সরকারি বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শাহেলী নাছরিনের যোগদান প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে তৎপর খসরু চৌধুরী গলদাপাড়া নিয়ামত আলী উচ্চ বিদ্যালয় ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক  অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত।  শ্রীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী দূর্গাপুরে দুটি গ্রামীণ রাস্তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন উত্তরা ১৩ সোসাইটি নির্বাচন: সভাপতি ব্রিগেডিয়ার জাহিদ সেক্রেটারি শাহনাজ পান্না কাপাসিয়ায় খামারিদের মাঝে বিনামূল্যে মিল্কিং মেশিন বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ট্রাক অটোরিকশা মুখোমুখি সংঘষে নিহত -২ পত্নীতলায় জাতীয় ভোটার দিবস পালন

মাধবপুরে আর চোখে পড়ে না বকের সারি

  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৩
  • ১০৪ বার পঠিত

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি

পল্লী কবি জসীম উদ্দিনের “বৃষ্টির ছড়া” কবিতার পংক্তি ‘বকের সারি কোথায় রে’ লুকিয়ে গেল বাঁশ বনে। হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলায় নদীনালা খাল বিল ও অনেক বড় বড় দিঘি রয়েছে। এসব থাকা স্বত্তে ও আগের মতো বক ও বকের সারি আর চোখে পড়ে না। কয়েক বছর পূর্বেও বকের বিচরণ ছিল ব্যাপক হারে। শিকারীরা বিভিন্ন পন্থায় বক শিকার করে তা আজ বিলুপ্তির পথে। বক শিকারীরা বাঁশের চিপ দিয়ে গোলাকৃতির খাঁচা বানায়। তা আড়াই ফুট প্রস্থ ও সাড়ে ৩ ফুট উচ্চতায়। ওই খাঁচার বাহিরের দিকে বেতের পাতা স্তরে স্তরে সাজিয়ে দেওয়া হয়। উপরের দিকে দিয়ে বেত পাতা খাড়া ভাবে লাগিয়ে শিকারী এ ফাঁদের ভিতরে ঢুকে পালিত বকের সাহায্যে কৌশলে বক শিকার করে। আবার অনেকে নাইলন সুতায় গিট দিয়ে সুতার মাথা কাটির সাথে বেধে ক্ষেতের আইলে শক্তভাবে বসিয়ে ফাঁদ পাতে। অনেকে সন্ধ্যায় বক যখন বাসায় ফিরে তখন মার্বেল পাথর অথবা এটেঁল মাটির গোলাকৃতির গুলি বানিয়ে বাঁশের গোলাইনের সাহায্যে গুলি করে শিকার করে বক। আবার অনেক সাহেব লোক এক নলা বন্দুক ও দুই নলা বন্দুক দিয়ে বিলের পাড়ে থাকা বকের ঝাঁকের উপর গুলি করে বক শিকার করে। অনেকে কলের উপর মাছ লাগিয়ে ফাঁদ পাতে। অনেকে বর্শির মধ্যে মাছ লাগিয়ে ফাঁদ পাতে বড় দিঘিতে। অনেক বক শিকারী বক শিকার করে জীবিকা নিবার্হের জন্য বাজারে নিয়ে আসে বক। মুখরোচকরা তা কিনে নিয়ে যায়। অনেক ছেলেরা তা কিনে পালন করে। বকের প্রধান খাদ্য মাছ। বর্তমানে নদীনালা খাল বিল শুকিয়ে যাওয়ায় বকের খাদ্যের সংকটে বকের প্রজনন কমে গেছে। কিছু বকের খোঁজে মিলে উপজেলার বুল্লা বিল, মাধবপুর বিল, বৈচা বিল, বাকসাইর বিলে,
শুধুমাত্র বুল্লা বিল, বাকসাইর বিলে কিছুকিছু বক চোখে পড়লেও অন্যবিলে পানি শূন্য থাকায় বক চোখে পড়েনি। মুরাদপুর গ্রামের জিয়াউর রহমান জানান, পানি শূন্যতায় মাছের আকাল ও বন উজার হওয়ায় বকের বাসস্থান নষ্ট ও জনসংখ্যা বৃদ্ধির কারণে ছোট ছোট ডোবা, নালা, জলাশয় সেচে মাছ ধরার কারণে আজ বক শুন্য হতে চলেছে। পরিবেশবিদ ও এলাকার সচেতন মহল মনে করেন নদী উজানে পানি শূন্য নদী ও বন জঙ্গল উজারের কারণে বাসস্থান ধ্বংস ও বক শিকারের কারণে বক আজ আমাদের পরিবেশ থেকে হারাতে চলেছে। বক প্রজাতি রক্ষার্থে জনগণের সচেতনতা একান্ত দরকার।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ স্বাধীন বিডি
Theme Customized By Shakil IT Park