1. admin@shadin-bd.com : admin :
  2. unews.mahmud@gmail.com : Mahmud hasan : Mahmud hasan
শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ -
বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ডে মাধবপুরের প্রবাসীর স্ত্রী ও কন্যা নিহত ভাইস চেয়ারম্যান পদে জমজমাট প্রচারণায় ইমান উল্লাহ শেখ ইমু সংবাদকর্মীর বাড়ীতে হামলার পর এখন আবার দেখে নেয়ার হুমকী অভিযুক্তদের শ্রীপুরে গৃহবধূর দগ্ধ লাশ উদ্ধার, স্বামীসহ পুলিশ হেফাজতে -২ কাপাসিয়ায় নবাগত ইউএনও’র যোগদান ত্রিশালে সুফী চর্চা কেন্দ্রে আলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থীর  মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।  উত্তরা নাইস স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে বার্ষিক ক্রীড়া পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান। গাজীপুরে সাবাহ্ গার্ডেনে স্কুল পড়ুয়াদের অসামাজিক কর্মকাণ্ড অব্যাহত কাকে বিয়ে করছেন ডানকি কন্যা তাপসী পান্নু!

রাজধানীর কৃষি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ২১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত-ডিএনসিসি

  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩
  • ৭৩ বার পঠিত

রাজধানীর কৃষি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ২১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত-ডিএনসিসি

নিজস্ব প্রতিবেদক ঃ রাজধানীর কৃষি মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডে ২১৭ দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে জানিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা বলেছেন, ‘অবৈধ দোকানগুলো ছিল ফুটপাতে। আমাদের বরাদ্দ দেওয়া দোকান ছিল ৩১৭টি। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত আমরা যে তথ্য পেয়েছি, ২১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ফায়ার সার্ভিসও বলেছে, ভেতরে পর্যাপ্ত অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এ ব্যাপারে আমাদের সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল।’

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।

সেলিম রেজা বলেন, ‘মার্কেটের ব্যবসায়ী যারা আছেন, যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আমরা তাদের তালিকা করছি। বিভিন্ন সংস্থা এগিয়ে আসবেন। আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে তাদের পাশে দাঁড়ব। আমাদের কর্মীরা কাজ করছে। যতটুকু সম্ভব ডিএনসিসির পক্ষ থেকে তাদেরকে সহযোগিতা করা হবে।’

সিটি করপোরেশনের অধীনে থাকা এই মার্কেটটিতে আগুন নেভানো কোনো যন্ত্র ছিল না। অবৈধ দোকান ছিল। এমন পরিস্থিতিতে সিটি করপোরেশনের কী ভূমিকা ছিল? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে সেলিম রেজা বলেন, ‘অবৈধ দোকানগুলো ছিল ফুটপাতে। আমাদের বরাদ্দ দেওয়া দোকান ছিল ৩১৭টি। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত আমরা যেই তথ্য পেয়েছি-২১৭টি দোকান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর ফায়ার সার্ভিসও বলেছে, ভেতরে পর্যাপ্ত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এ ব্যাপারে আমাদের সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। এখানে বাজার সমিতি আছে তাদেরকে আমরা এই কাজগুলো করার জন্য বারবার নির্দেশনা দিয়েছি, অনুরোধ করেছি। এই কাজগুলো না করার কারণেই আমরা এখন এর ভয়াবহতা দেখতে পাঁচ্ছি।’

বাজারের দোকান মালিক সমিতি ও ব্যবস্থাপনা কমিটি দায়ী কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, ‘তদন্ত করে জানা যাবে কারা দায়ী ছিল। তদন্তেই বেরিয়ে আসবে।’

রাজধানীতে নয়টি ঝুঁকিপূর্ণ মার্কেটের মধ্যে মোহাম্মদপুরে দুটি মার্কেট রয়েছে, যেখানে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেই। এই মার্কেটটিতেও অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা ছিল না। এই মার্কেটটি কেন তাহলে তালিকায় এলো না, এমন প্রশ্নের পরিপ্রেক্ষিতে সেলিম রেজা বলেন, ‘যেই কমিটি তখন কাজ করেছে সেসময় এই মার্কেটটি তালিকায় ঢোকেনি। উত্তর সিটি করপোরেশনের আটটি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে। ভবন ও যেই মার্কেট ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে সেগুলো ম্যাজিস্ট্রেটকে আমরা বলে দিয়েছি ১৫ দিন বা এক মাসের মধ্যে ব্যবস্থা নিতে। কোনো বাধা, কোনো কিছুর মুখেই আমরা আর থামব না। এই ভবনগুলোতে ব্যবসায়ী ও বসবাসকারী যারাই থাকুন তাদেরকে সেখান থেকে বের করে দিয়ে ভবনগুলোকে সিলগালা করে দিতে হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই ভবনগুলোকে ফাঁকা করতে হবে। এই লক্ষ্যে আমরা ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করে দিয়েছি। তারা দ্রুততম সময়ের মধ্যে কাজগুলো সম্পন্ন করবেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ স্বাধীন বিডি
Theme Customized By Shakil IT Park