1. admin@shadin-bd.com : admin :
  2. shadinbd@gmail.com : shadin : Nazmul Mondol
বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ -
স্কুলে ঝড়েপড়া শিক্ষার্থীদের আটকাতে হবে প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী টুসি “ বরেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের জেসিএমএস বিভাগের শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপ সমাপনী  প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠিত বড় ধরনের অর্থ বহনের ক্ষেত্রে মানি এস্কর্ট সেবা দিচ্ছে উত্তরা পশ্চিম থানা পুলিশ শ্রীপুর উপজেলার চেয়ারম্যান দুর্জয়ের সুস্থতা কামনায় শ্রমিক লীগের দোয়ার আয়োজন। শ্রীপুরের ঐতিহ্যবাহী নবারুন ক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটির আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ফুটপাতে অবাধে চলছে মুখরোচক খাবার হালিম বিক্রি,ধোঁকা খাচ্ছে সাধারণ মানুষ কাপাসিয়ায় স্মার্ট ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু বেনাপোলে কাস্টমস কর্মকর্তার উপর সন্ত্রাসী হামলা শ্রীপুরে স্বামীর তালাবদ্ধ ওষুধের দোকানে স্ত্রীর গলা কাটা লাশ চলতি মাসেই প্রেমিককে বিয়ে করছেন ঐশ্বরিয়া!

হরতাল-অবরোধে নিম্ন আয়ের মানুষের উপার্জন বন্ধ

  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৩
  • ১৪৮ বার পঠিত

ইব্রাহিম আলী,
গোয়াইনঘাট সিলেট প্রতিনিধি।

একের পর এক হরতাল-অবরোধে উপার্জন বন্ধ হওয়ায় খেয়ে না-খেয়ে দিন কাটছে শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের মানুষের। তার ওপর তাঁদের জন্য মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হয়ে দাঁড়িয়েছে বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) থেকে নেওয়া ঋণের কিস্তি পরিশোধের চাপ। সাপ্তাহিক কিস্তি শোধ করতে না পেরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেকে। খেটে খাওয়া শ্রমিকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গোয়াইনঘাট উপজেলায় গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, টিএমএসএস, ব্র্যাংকসহ বেশ কয়েকটি এনজিও ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মূলত দিনমজুর, শ্রমিকসহ নিম্ন আয়ের মানুষই এসব এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে সাপ্তাহিক কিস্তিতে তা শোধ করেন। উপার্জনের পথ বন্ধ হলে কিস্তি শোধের উপায় থাকে না এসব মানুষের। হরতাল-অবরোধের কারণে প্রায় ১১দিনেরও বেশি সময় ধরে বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন এর অন্তর্ভুক্ত বেলচা শ্রমিক নেতা লিয়াকত আলী জানান, ট্রাকচালক শ্রমিক, বাসস্টেশন তামাবিল স্থলবন্দর শ্রমিক, এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা এখন একরকম বেকার। এ ছাড়া বিভিন্ন হাট-বাজার ও কর্মসংস্থানে শ্রমিকরা উপার্জনহীন অবস্থায় আছেন। নিম্ন আয়ের এসব মানুষের অনেকেই নানা প্রয়োজনে বিভিন্ন এনজিও থেকে ১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়েছেন। সাপ্তাহিক কিস্তিতে ঋণ শোধ করার কথা থাকলেও উপার্জন বন্ধ হওয়ায় কিস্তি দিতে পারছেন না তাঁরা। অভিযোগ উঠেছে, কিস্তি পরিশোধের জন্য এনজিওর কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বাড়িতে এসে চাপ দিয়ে যাচ্ছেন। ফলে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেক ঋণগ্রহীতা। উপজেলার পূর্ব জাফলং মামার বাজার বেলচা শ্রমিকরা জানান, তিনি বেলচা শ্রমিকের কাজ করেন স্বাভাবিক ভাবে গাড়ি চলাচল করলে পরিবার পরিজনদের নিয়ে মোটামুটি ভালোই দিন কাটে। কিন্তু কয়েকদিনের টানা হরতাল আর অবরোধে হিমসিম খেতে হচ্ছে তাদের। তিনি আরো বলেন, একটি এনজিও থেকে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। হরতাল-অবরোধের কারণে প্রায় ১৫দিন ধরে বেকার বসে থাকায় এমনিতেই চুলা জ্বলছে না। এ অবস্থায় কয়েক সপ্তাহ কিস্তি না দিতে পেরে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন অনেক শ্রমিক। একই ইউনিটের দিনমজুর শ্রমিক জানান, তিনি অপর একটি এনজিও থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। প্রায় ২৫ কিস্তি শোধ করার পর উপার্জন বন্ধ হওয়ায় এখন কিস্তি দিতে পারছেন না। আক্ষেপ করে তিনি বলেন, ‘এমনিতেই প্যাটে ভাত নাই। এর ওপর স্যারেরা (এনজিও কর্মকর্তা) খালি কিস্তি দিব্যার কয়। কিন্তু দেব কি করে?’ জাফলং ট্রাকচালক সমবায় সমিতির শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি ফয়জুল মিয়া বলেন, জাফলংয়ের কয়েক শতাধিক পরিবহন শ্রমিকের দিন কাটছে খেয়ে না-খেয়ে। সবচেয়ে বড় কথা, কিস্তি শোধের আতঙ্কে এঁদের অনেকেই অস্থির হয়ে আছেন। কেউ কেউ আমাদের শ্রমিক কার্যালয়ে এসে কান্নাকাটি পর্যন্ত করছেন।’ এনজিও টিএমএসএসের বিভিন্ন শাখার ফিল্ড সুপারভাইজারদের সাথে কথা বললে তারা জানান, হরতাল-অবরোধের কারণে কিস্তি দেওয়ায় অনেকেরই কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কিস্তি শোধের জন্য কাউকে চাপ দেওয়া হচ্ছে না। একটি এনজিওর একাধিক কর্মকর্তা দাবি করেছেন, কিস্তি পরিশোধের জন্য কাউকেই চাপ দেওয়া হচ্ছে না। যাঁরা কিস্তি দেওয়ায় অপারগতা প্রকাশ করছেন, তাঁদের পরে দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০১৮ স্বাধীন বিডি
Theme Customized By Shakil IT Park